বেকারত্ব দুর - সমৃদ্ধ আলোকিত জাতি গঠনে অনলাইন আয়ের বিকল্প নাই

আপনার একটি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট লাইন থাকলে, আর যদি কম্পিউটারে ন্যূনতম জ্ঞান থাকলে সহজেই আপনি সহজেই গুগলে সার্চ দিয়ে নিজকে অভিজ্ঞ করে অনলাইন আয় করতে পারেন।

এ যুগে ফেসবুক, টুইটার সহ ইনন্টারনেটের ধারনা না থাকা লজ্জ্বার বিষয়

আপনার ই-মেইল একাউন্ট নেই, বা ফেসবুক- ইউটিউবসহ সাইটসমূহে আপনার অংশ গ্রহন নাই, গুগল সা ইঞ্জিন বা গুগল সম্পর্কে জানেন না, এটা কি লজ্জার ব্যপার নয়। এখন সকল তথ্যই ইন্টারনেটে ফ্রিতে পাওয়া যায়।

পিসি বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট লাইন থাকে তাহলে আজই আয় শুরু করুন

আপনি যদি ফেসবুক, ইমেইল একাউন্ট থাকে এবং মোটামুটি টাইপ করতে পারেন, বিশ্বের খ্যাতনামা অনলাইন Odesk, Elance, Freelancer সাইট ইত্যাদি সাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে, ফ্রিতে ইন্টারনেটে নিজকে যে কোন ১ বিষয়ে দক্ষ করে আজই বৈদেশিক মুদ্রা আয় শুরু করুন।

কথায় আছে – সময় ও স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না

প্রতিজ্ঞা করি শুধু ফেসবুক ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সাইটে সময় অপচয় না করে মূল্যবান সময়কে কাজে লা্গাই। শুধু এ জীবননয় অনন্ত কালের কবরের সামানা এখনই তৈরী করা শুরু করি।নামাজে পাবন্দি করি ও প্রতিটি চোখের পলকে জিকির ও ফিকিরে কাটাই।

IT Bd Soft (Anika Computer) একটি অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্থ IT ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান

আপনি আমাদের সংক্ষিপ্ত হ্যান্ড নোট /পিডিএফ ও ভিডিও টিউটোরিয়াল খুবই স্বল্প মুল্যে নিয়ে নিজে নিজে প্রাকটিক করে নিজকে দক্ষ ও যোগ্য করে তুলূন এবং তারপর আয় শুরু করতে পারবেন।

Showing posts with label অনলাইন আয়. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন আয়. Show all posts

Wednesday, March 18, 2015

অনলাইন ইনকাম নাকি - একশ্রেণীর লাভজনক প্রচারনা

অনলাইন ইনকাম নাকি- একশ্রেণীর লাভজনক প্রচারনা

 অনলাইন ইনকাম এখন অতি পরিচিত একটি শব্দ। আমরা সবাই এই কথার সাথে পরিচিত।
কিন্তু আসলে অনলাইন ইনকাম এখন সোনার হরিন। 
INTERNATIONAL MARKETPLACE (ODESK , ELANCE  , FREELANCER ETC AND MANY OTHERS)  গুলোতে  কাজ করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করুন এরকম চটকদার আ্যাড আমরা দেখতে পাই। এতে হাজার বেকার  যুবক  ছাত্ররা ভতি হচ্ছে। মাঝখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে লাভবান হচ্ছে অনলাইন ইনকাম শেখানো কোচিং সেন্টারগুলো।
ছাত্রদের অনলাইন ইনকাম এর কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। এতে তারা দুকূল  হারাবে। বেকার  ভাইদের বলছি আপনারা অনলাইনে আয় করতে চাইলে  SEO , GRAPHICS এগুলো শিখে  অনলাইন ইনকাম কোচিং সেন্টার খুলুন। ১০০গ্যারান্টি আপনার ইনকাম হবে। কিন্তু INTERNATIONAL MARKETPLACE (ODESK , ELANCE  , FREELANCER ETC AND MANY OTHERS)   কাজ করে আয় করবেন এই বোকামি করবেননা। একমাস কোচিং সেন্টার থেকে যা আয় করবেন 05 YEARS FREELANCING  করে তা পারবেননা।   মাঝখান থেকে অনলাইন আয়ের খোয়াব দেখা হবে সার। তাই ছাত্ররা ভালো করে পড়াশুনাটা করো , অযথা সুন্দর FUTURE  টা ONLINE EARNINGS , ACTOR , PLAYER এসব স্বপ্ন দেখে নষ্ট করোনা। নাটক , MEDIA , ONLINE EARNINGS এগুলো 100 তে একজন  পায়না।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল, ফ্রিল্যান্সিং করতে চাইলে, প্রথমে নিজে দৃঢ় হন, সিদ্ধান্ত নিন, যে কোন এক বিষয়ে দ্ক্ষ হউন। বর্তমানে ই মেইল মার্কেটিং, অ্যালিফেটিং মার্কেটিং  হট ট্রেড খুব সহজেই সহজেই নেট থেকে ফ্রি বাংলা ইংলিশ টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করে শিখতে পারেন। আবার যে কোন সিডি দোকান থেকে এ বিষয় টিউটোরিয়াল কিনেও সহজেই শিখতে পারেন। 
আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ  হল, রেগুলার 1 সপ্তাহ নিম্মলিখিত সাইটগুলি ভিজিট করুন। 

http://it-bari.com/

genesisblogs.com/

rrfoundation.net/

http://www.techtunes.com.bd

http://www.bangla-tutor.blogspot.com


নিজকে তখন খুব সহজেই দক্ষ হয়ে নিজে আয় করতে পারবেন। অযথা পয়সা নষ্ট করে কোন লাভ হবে না। 
ঠিন ও রুড় সত্যি হল, উপরোক্ত পরামর্শ  মেনে চললে ঐ সব তথাকথিত কোচিং সেন্টার থেকে ভাল শিখতে পারবেন। 
পরিশেষে আবারও পরামর্শ  হল,   উপরোক্ত পদ্ধতি কম হলেও - ১ সপ্তাহ থেকে ১ মাস মেনে উপরোক্ত সাইট গুলি ভিজিট করুন। ফলাফল হাতে হাতে পাবেন।
-- আমাদের এ দুনিয়া জীবন ক্ষনস্থায়ী, অনন্ত আখেরাতের সাফল্যের জন্য নিয়মিত সালাত আদায় করি ও সকলকে ইসলামের দাওয়াত দেই, নিজে পরিপূর্ন মুসলিম হই। আল্লাহ আমাদের মুমিন হিসাবে কবুল করুন। আমিন।

-** জরুরী হক কথা - মানুষ মরনশীল। সত্যিই কি আমাদের দুনিয়ার এ জীবন ক্ষনস্থায়ী, অনন্ত অসীম পরকাল/আখেরাতের কামিয়াবী/সাফল্যের জন্য নিয়মিত সালাত আদায় করি ও সকলকে কালিমার/ইসলামের দাওয়াত দেই, নিজে পরিপূর্ন মুসলিম হই। আল্লাহ আমাদের খাঁটি মুমিন হিসাবে কবুল করুন। আমিন।

Source – Techtunes

ঘরে বসে আয়

ঘরে বসে আয়


ঘরে বসে আয়


ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই কাজ করে আয় করা যায়। অনেকে এভাবে কাজ করে স্বাবলম্বীও হয়েছেন। তবে কাজে দক্ষতা না থাকলে এ স্বপ্ন দেখা ঠিক নয়। নতুন অনেকেরই এই ক্ষেত্রটিতে আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বিষয়টি কী এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে আয় করা যায়। পাঠকদের জন্য ফ্রিল্যান্সিংকে সহজভাবে তুলে ধরতেই এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত সিরিজটির আজ শেষ পর্ব।

প্রথম পর্বফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত (পর্ব-১) 

দ্বিতীয় পর্ব: ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত (পর্ব-২) 

সহজে কাজ পেতে

১. কেউ কেউ আছেন, যারা ৪-৫টা জবে আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন ১০০টা জবের জন্য আবেদন করেও তা পান না। এটা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার কাজের দক্ষতা, আপনার অভিজ্ঞতা ও আপনার কাজের পারিশ্রমিক চাওয়ার ওপর। আপনি যদি কাজে দক্ষ হন এবং যদি কাজের মাধ্যমে বায়ারকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তবে আপনি সফল হবেনই। আপনার ইংরেজির দক্ষতা এক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো ফল দিতে পারে। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি যদি আরও কয়েকটি ভাষা শিখে ফেলতে পারেন তবে তা আপনার কাজের জন্য বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। অনলাইন বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করেই এখন আপনি ভাষা শেখার চেষ্টা করতে পারেন। যাঁদের ইংরেজি দুর্বল তারা চর্চা বাড়াতে পারেন।
২. যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে হায়ার করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড থাকতে হয়।
৩. কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিয়মিত হতে হবে। আপনি অনলাইন উপস্থিতি বাড়াতে ব্লগ লিখতে পারেন। নিজের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। এক সময় আপনাকে কাজ খুঁজতে হবে না; বরং বায়াররাই আপনাকে খুঁজে ফিরবে।
৪. কাজ পাবার জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। বেশি সময় অনলাইনে থাকতে হবে। বায়ারের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ ভালো হতে হবে। আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তবে নিজেকে সচেতন থাকতে হবে এবং নিজের কাজের দাম নিজেকেই ঠিক করে নিতে হবে।
৫.যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেই শর্ত যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে সেসব জবে আবেদন না করাই ভালো। যেমন, Feedback Score: At least 4.00 এবং oDesk Hours: At least 100 hour অর্থাত্ যাঁদের ফিডব্যাক স্কোর কমপক্ষে ৪.০০ এবং যাঁরা অন্তত ১০০ ঘণ্টা কাজ করেছেন, তারা এই জবে আবেদন করতে পারবেন।
৬.যাঁরা ওডেস্কে ২-৩টা জব (কাজ) করেছেন, এখন বেশি ডলার রেটে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার রেট দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে বেশি ডলার রেটে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলার রেটে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি ডলার রেটে আবেদন না করাই ভালো।
গুগল, গুগল এবং গুগল
গুগলকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বানিয়ে ফেলুন। যেকোনো সফল ফ্রিল্যান্সারকে জিজ্ঞেস করলেই দেখবেন, প্রত্যেকেই বলবে তারা অনেক কিছু গুগল সার্চ করে জেনেছে। বিষয়টি আসলেই সত্যি। যদি কোথাও আটকে যান, তখন গুগল সার্চ করুন। অনলাইনে আপনার সহায়ক অনেক উপকরণ পাবেন।  প্রোফাইল তৈরি থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া পর্যন্ত সব কিছুই এখন অনলাইনে পাবেন।
সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে সক্রিয় থাকুন। লিংকডইনে তৈরি করুন পেশাদার প্রোফাইল। আপনি ইউটিউব থেকেও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন। অবশ্য একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরুর আগে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা ও উন্নত কনফিগারেশনের কম্পিউটারও প্রয়োজন পড়বে।
নিজেকে সময় দিন
ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই দিন-রাত কিছুই মানেন না । ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পান না। এজন্য অনেকেই একা হয়ে পড়েন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করলেও নিজেকে কিছুটা সময় দিন। বই পড়ুন, বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান। ঠিক সময়ে ঘুমান। প্রচুর পানি পান করুন। নিজের কাজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যান। শুধু অর্থ আয়ের পেছনে ছোটার চেয়ে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে নিন আগে। ফ্রিল্যান্সিং করে যাঁরা সফল হয়েছেন তাঁদের পরামর্শ হচ্ছে কাজ না শিখে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসবেন না।

-** জরুরী হক কথা - মানুষ মরনশীল। সত্যিই কি আমাদের দুনিয়ার এ জীবন ক্ষনস্থায়ী, অনন্ত অসীম পরকাল/আখেরাতের কামিয়াবী/সাফল্যের জন্য নিয়মিত সালাত আদায় করি ও সকলকে কালিমার/ইসলামের দাওয়াত দেই, নিজে পরিপূর্ন মুসলিম হই। আল্লাহ আমাদের খাঁটি মুমিন হিসাবে কবুল করুন। আমিন।

সূত্র - মো. আমিনুর রহমান , প্রথম আলো।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত - ২

ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত-২


আমিনুর রহমান অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন এবং ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে দুইটি বই লিখেছেন।


ফ্রিল্যান্সিং করে এদেশের অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেকেরই নতুন এ ক্ষেত্রটির প্রতি আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বিষয়টি কী এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়। পাঠকদের কাছে ফ্রিল্যান্সিংকে সহজভাবে তুলে ধরতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত। আজকে রইল এর প্রতিবেদনটির দ্বিতীয় পর্ব।


প্রথম পর্ব পড়ুন: ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত 


মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইলবর্তমানে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করে বড় ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। মার্কেটপ্লেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভালো প্রোফাইল তৈরি করা। যোগ্যতা প্রমাণের জন্য প্রোফাইলকে আকর্ষণীয় করে তৈরি করা যায়। প্রোফাইলে তৈরির ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে 
১. হাসিমুখে তোলা একটি ছবি যেখানে আপনার চেহারা পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।
২. স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ভালো। ইল্যান্স মার্কেটপ্লেসে প্রচুর স্কিল টেস্ট বিনা খরচেই দেয়া যায়। স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ক্লায়েন্ট বুঝবেন যে আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নতুন অথবা অভিজ্ঞ যা-ই হন না কেন কাজে আপনার দক্ষতা রয়েছে।
৩. পোর্টফোলিও আইটেম যোগ করা উচিত। পোর্টফোলিও আইটেম হিসেবে নিজের তৈরি লোগো, নিজের বানানো ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট, ইউনিভার্সিটিতে তৈরি করা কোনো প্রেজেন্টেশন, কোনো সার্টিফিকেটের স্ক্যান করা ইমেজ ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে। এর সাথে যদি স্কিল টেস্ট থাকে, তাহলে ক্লায়েন্ট জেনে যাবেন যে আপনার শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান আছে তাই নয়, তার সাথে প্র্যাকটিক্যাল কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে। আকর্ষণহীন একটি ফ্রিল্যান্স প্রোফাইল তৈরি করে কাজে আবেদন করলে ক্লায়েন্টরাও সাড়া দেবে না।
কোন ধরনের কাজের জন্য আবেদন করবেন?
কোনো একটা জব ওপেন করে জবের ডান পাশে দেখবেন বায়ারের তথ্য দেওয়া আছে। যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড নট ভেরিফাইড লেখা সেসব বায়ারের কাজের জন্য আবেদন করবেন না। পেমেন্ট মেথড ভেরিভাইড থাকলে তবে আবেদন করবেন।
মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইলক্লায়েন্টের কাছে কাজের জন্য আবেদন করাযখন কোনো কাজে/জবে আবেদন করবেন অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন আপনার লেখার ধরন প্রফেশনাল হয়। কখনোই কপি-পেস্ট করে আবেদন পাঠাবেন না। এটা করলে কাজ পাওয়া দুরূহ তো হবেই বরং অনেক ক্লায়েন্ট আপনার লেটার স্প্যাম হিসেবে মার্ক করলে মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টটি হারাতে পারেন। যেটা করা উচিত সেটা হলো প্রতিটি জব ভালোভাবে পড়ে তারপর চিন্তা করে গুছিয়ে একটি লেটার লিখে পাঠানো। এ ক্ষেত্রে আপনি একটি ফরম্যাট ফলো করতে পারেন, যেমন:
Hello, Good Day, Good Morning অথবা Evening, ইত্যাদি দিয়ে শুরু করতে পারেন। Dear Sir/Madam, Dear Manager, ইত্যাদি দিয়ে শুরু না করাই ভালো।
তারপর এক লাইনে আপনি তার কাজের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারেন, এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট বুঝবে আপনি তার জবটি পড়েছেন। তারপর ২-৩টি লাইন লিখুন আপনার কোন দক্ষতা তার প্রজেক্টে কাজে আসবে এবং কেন।র ৪-৫টি বুলেট পয়েন্ট করে লিখুন আপনি তার কাজটি পেলে কী কী ধাপে করবেন।
আপনি কোন ফাইল এটাচ (যুক্ত) করে থাকলে উল্লেখ করুন। সর্বশেষে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার লেটার শেষ করুন।
এভাবে একটি ফরম্যাট ফলো করলে দেখবেন কখনই কপি-পেস্ট করতে হবে না। তবে হ্যাঁ, দুটি ব্যাপার কখনই করবেন না। একটা হলো লেটারে নিজের ই-মেইল অথবা যোগাযোগের কোনো আইডি উল্লেখ করবেন না এবং কখনই আপনাকে যেন কাজটি দেয় এটা নিয়ে জোর করবেন না। তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে পেশাদার নাও ভাবতে পারে। নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের পারিশ্রমিক চাইবেন।
সাক্ষাত্কার
চাকরির বিজ্ঞাপন পড়ে আমরা কী করি? আমরা সেই বিজ্ঞাপন পড়ে ভালো লাগলে সেই চাকরির জন্য জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) পাঠাই।  আউটসোর্সিং সাইটেও যখন কোনো জব পোস্ট করা হয়, তখন অনেকেই আবেদন করেন। তাদের মধ্য থেকে বায়ার কয়েকজনকে সাক্ষাত্কারের জন্য বলেন।  তারপর একজন বা দুইজনকে নিয়োগ (হায়ার) দেয় মানে কাজটি করতে দেয়। এই প্রক্রিয়াটিকেই বলে বিডিং বা বিড করে কাজ পাওয়া।  বায়ার আপনার কভার লেটার এবং প্রোফাইল দেখে পছন্দ করলে আপনাকে মেসেজ দিয়ে ইন্টারভিউ নেবে। আপনিও মেসেজ দিয়ে উত্তর দেবেন। আপনাকে ওই আউটসোর্সিং সাইটেই মেসেজ দেবে যে আপনি আগে কখনো এ ধরনের কাজ করেছেন কি না, কাজটি কত দিনে করতে পারবেন, কত ডলারের বিনিময়ে করে দেবেন ইত্যাদি। আপনিও ওই সাইটেই মেসেজ দিয়ে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন। কোনো কোনো বায়ার স্কাইপের মাধ্যমে চ্যাট করতে চায়। তাই স্কাইপে (www.skype.com) একটা অ্যাকাউন্ট খুলে নেবেন। তারপর আপনাকে পছন্দ হলে বায়ার কাজটি করতে দেবে মানে জবটিতে আপনাকে হায়ার (Hire) করবে। জবটি অ্যাকটিভ হবে। তখন আপনার কাছে নোটিফিকেশন আসবে Your contract Job Name started. তারপর কাজ শুরু করবেন। 
একটি কাজের বর্ণনাকীভাবে কাজ করবেন?
আউটসোর্সিং সাইটগুলোতে দুই ধরনের জব আছে। জব আছে দুই ধরনের। আওয়ারলি এবং ফিক্সড প্রাইস। আওয়ারলি জবগুলো আপনার ইচ্ছেমতো করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার পর বায়ার কাজগুলো দেখে আপনাকে পেমেন্ট দেবেন। আর আওয়ারলি জবের ক্ষেত্রে টাইম ট্র্যাকার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নেবেন । এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর ওপেন করে সাইন-ইন করে যে জবটি করতে চান সেটি নির্বাচন করে Start বাটনে ক্লিক করবেন। তাহলে ওই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনার কাজের সময় গণনা শুরু হবে। ওই সফটওয়্যারটি কিছুক্ষণ পরপর আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নেবে। ঘণ্টায় ৬টির মত। সময় গণনার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমা হতে থাকবে। কাজ শেষ হওয়ার পর বায়ার ওই স্ক্রিনশটগুলো দেখে বুঝতে পারবে আপনি কাজ করেছেন কি না। কাজ শেষ হওয়ার পর বায়ার যখন আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে চুক্তি শেষ করবেন তখন আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে Buyer Name ended your contract Job Name. তখন বায়ার আপনাকে একটি ফিডব্যাক দেবেন এবং আপনিও বায়ারকে একটি ফিডব্যাক দেবেন। সর্বোচ্চ ৫-এর মধ্যে আপনি বায়ারকে মার্ক দেবেন এবং বায়ার আপনাকে তা দেবেন। কেউ কারোরটা আগে দেখতে পাবেন না। দুই জনে (কনট্রাক্টর এবং বায়ার) ফিডব্যাক দিলেই কেবল একজন অন্য জনেরটা দেখতে পাবেন। কেউ একজন ফিডব্যাক না দিলে বা উভয়েই না দিলে ১৪ দিন পর একজন অন্যজনের ফিডব্যাক দেখতে পাবেন। ১৪ দিন পার হয়ে গেলে আর ফিডব্যাক দেওয়ার সুযোগ থাকে না। আপনি বায়ারের সাথে কাজ করার সময়ই বুঝতে পারবেন আপনার সাথে বায়ারের সম্পর্ক কেমন এবং বায়ার আপনাকে কেমন ফিডব্যাক দিতে পারেন।  ভালো ফিডব্যাক পেলে পরবর্তী সময়ে বেশি কাজ পেতে সুবিধা হয়। বাজে ফিডব্যাক পেলে পরবর্তী সময়ে ভালো কাজ পেতে সমস্যা হয়। তবে আপনি ইচ্ছা করলে ওই বাজে ফিডব্যাক মুছে ফেলতে পারবেন। বায়ার আপনাকে পেমেন্ট দেওয়ার পর সেই পেমেন্ট এক সপ্তাহের মতো পেনডিং (Pending)-এ থেকে তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
অর্থ তোলার পদ্ধতি
অনেক কাজ করেছেন। আপনার অ্যাকাউন্টে অনেক ডলার জমা হয়েছে। এখন সেগুলো তুলে আনবেন কীভাবে? অর্থ উত্তোলনের অনেকগুলো পেমেন্ট মেথড বা উপায় আছে। আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো অয়্যার ট্রান্সফার (Wire Transfer)।
অয়্যার ট্রান্সফার পদ্ধতি
অয়্যার ট্রান্সফার হলো অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে ডলার ট্রান্সফার করা। এর জন্য বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
পাইওনিয়ার মাস্টারকার্ড পদ্ধতি
অর্থ উত্তোলন করার আরেকটি সহজ পদ্ধতি হলো PAYONEER DEBIT CARD। তবে এটি একটু ব্যয়বহুল।

-- আমাদের এ দুনিয়া জীবন ক্ষনস্থায়ী, অনন্ত আখেরাতের সাফল্যের জন্য নিয়মিত সালাত আদায় করি ও সকলকে ইসলামের দাওয়াত দেই, নিজে পরিপূর্ন মুসলিম হই। আল্লাহ আমাদের মুমিন হিসাবে কবুল করুন। আমিন।

সূত্র - আমিনুর রহমান, প্রথমআলো।          আরও পড়ুন -  ঘরে বসে আয়